বিদ্যুৎ এর লোকদের আজীবনই গালাগালিই শুনতে হয়, কেউ কোনোদিন এটা নিয়ে প্রতিবাদ করেছে বলে আমার জানা নেই। এমনকি তাদের পাশে কাউকে পাবে না জেনে পল্লী বিদ্যুৎ এর প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও চুপ করে এসব সহ্য করে হাসিমুখেই গ্রাহকদের জন্যই কাজ করে গেছেন। সাথে চুপ ছিলাম আমরাও, যারা খুব কাছ থেকে ওঁদেরকে দেখেছি, যারা ওই সব একদম "বাপ-মা তুলে গাল খাওয়া" মানুষগুলোর ফ্যামিলি!
পোস্টটা একটু বড় হবে, ধৈর্য আর ইচ্ছা থাকলে পড়বেন, নাহলে স্কিপ করে আবার চলে যান কমেন্টে কমেন্টে নিজেদের জ্ঞান জাহির করতে-নো প্রবলেম এট অল ফ্রম মাই সাইড!
যা যা বলবো আজকে, আপনাদের ভালো লাগবে না শিউর। কারণ আমরা স্টুডেন্টরা আপনাদেরকে বাকস্বাধীনতা এনে দিয়ে নিজেরাই চুপ হয়ে যেতে বাধ্য হয়েছি। আপনাদের যেটা একবার মনে হচ্ছে সেটাই আপনারা প্রতিষ্ঠিত করে জোর করে চাপিয়ে দিচ্ছেন সবার উপর আজকাল। আর মতের সাথে না মিললেই ট্যাগ তো আছেই!
___________👇____________
___________👇____________
___👉Download👈____
___________👆_____________
___________👆_____________
বিশেষত গত দুই মাসে যাদেরকে দেখিনি কোথাও তারাই আজ বেশি সরব। তাদের কানফাটানো ঢোলের বাড়িতে মাঝে মাঝে বধির হয়ে যেতে ইচ্ছে করে।
কথা বলার অধিকার এক দরজা দিয়ে ঢুকে বোধবুদ্ধির ব্যবহার এবং মতামত সহনশীলতার ব্যাপারটা আরেক জানালা গলে বেরিয়ে গেছে। তবুও বলবো, কারণ বাক স্বাধীনতা আমারও থাকা উচিৎ, নয় কি? মানা না মানা, বোঝা বা না বোঝা আপনাদের বিবেচনা!
পল্লী বিদ্যুৎ এর মূল কাজের ধারা সম্পর্কে আপনাদের কোনো ধারণা না থাকলে আগে জেনে নেন। পল্লী বিদ্যুৎ সারাদেশে সবচেয়ে বৃহৎ পরিসরের বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ৮০টা সমিতির অধীনে হাজারো জোনাল, সাবজোনাল অফিস আছে। সমগ্র সমিতিতে কর্মরত আছেন প্রায় ৪৫ হাজার মানুষ!
অজপাড়াগাঁয়ের মাঝে ঝড়-বৃষ্টি, বন্যা, সাইক্লোন যাই হোক না কেন, সব সামাল দেয়া, লোড সবচেয়ে কম পেয়েও লোডশেডিং এর মাত্রা কম রাখার চেষ্টা করার যে ব্যাপারগুলো, দিন নাই রাত নাই, খাওয়াদাওয়া নাই, ফ্যামিলি নাই, ঘোরাঘুরি তো আরও নাই!
অথচ এসব নিয়ে কোনোদিন এদেরকে কোনো খবরের কাগজের হেডলাইনে কিংবা টেলিভিশনের পর্দায় গলা ফাটাতে দেখেছেন?
বাদ দেন, ওইসব নিয়ে তারা নিজেরাও জাহির করতে চান না। মেইন পয়েন্টে আসি_
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আশিটা জোনাল অফিসকে নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, যাকে শর্টলি বিআরইবি (BREB) বলা হয়। মন্ত্রণালয়ের সাথে সরাসরি কোনোভাবে যোগাযোগ করার সুযোগ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নাই। সেটা করে বিআরইবি। সেখানে কর্মরত যারা আছেন, তাদের